চারদিক পাহাড় আর সবুজ গাছ গাছালিতে ঘেরা ম্যাসাঞ্জোর সপ্তাহ শেষে দুটো দিন কাটানোর জন্য আদর্শ জায়গা । কলকাতা থাকে এই জায়গাটির দূরত্ব ২১৫ কিমি এবং সিউড়ি থাকে ৪০ কিমি ।

১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে কৃত্রিম ভাবে বাঁধটি ময়ূরাক্ষী নাদির উপর তৈরী হলেও আর সৌন্দর্য্য প্রাকৃতিক শোভা থাকে কোনো অংশে কম নয় । বাঁধটি উচ্চতায় ১৫৫ ফুট ও দৈর্ঘ্যে ২১৭০ ফুট এবং পার্শ্ববর্তী সবুজ ঘেরা পাহাড় সোনায় সোহাগা করেছে । বাঁধের গা বেয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র স্রোতের জলধারার আওয়াজ আলাদা এক অনুভূতি আনে, ইচ্ছা থাকলে দেখে নিতে পারেন জলবিদ্যুৎ তৈরির পদ্ধতিটিও। চাইলে রক ক্লাইম্বিং এবং সুইমিং এর আনন্দ নেওয়া যেতে পারে । রাত্রিকালীন বাঁধটির সৌন্দর্য্য দেখলে আরো মুগ্ধ হতে হয় । পার্ক , সুপ্রাচীন দামোদর মন্দির, তিলপাড়া ব্যারাজ এগুলোতো উপরি পাওনা ।

ফেলা আসা পুরোনো জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির নিদর্শন পাওয়ার জন্য যেতই হবে আদিবাসী গ্রাম লম্পাতে, যেখানে খেজুরের রস বা তারির সাধে আর আমোদপ্রমোদে চলে যাওয়া যায় একঘেয়ামি ব্যাস্ত জীবন ছেড়ে অন্য এক জগতে ।

সময় থাকলে সিউড়ি থেকে কিছু দূরে ঘুরে আসা যায় বক্রেশ্বরে, এখানের উষ্ণ প্রস্রাবনের কথা কারো অজানা নয় । ম্যাসাঞ্জোর যাত্রা পথের সাথে সাথে বক্রেশ্বর ভ্রমণ, ঘোরার আনন্দ দ্বিগুন করে দেয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *