বকখালি (Bokkhali)

কলকাতা থাকে ১৩০ কিমি দূরে সবুজে ছাওয়া ঝাউ বীথিকা আর নীল আকাশি চাঁদোয়া মাথায় নিয়ে বঙ্গোপসাগরের পুব পারে পশ্চিমবাংলার দ্বিতীয় সমুদ্র সৈকত বকখালি ।

দিঘা মন্দারমনির মতো কোলাহল পূর্ণ না হলেও সোনা ঝরা মিঠি রোদের শান্ত বাতাস আর সমুদ্রের ঢেউ পর্যটকদের ভাবাবিষ্ট করে যেমন, তেমনি চন্দ্রালোকিত রোজনীও মায়াবী পরিবেশ সৃষ্টি করে ।

ঝাউ বনের পাশাপাশি ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সবুজ আচ্ছাদনে সপ্তাহান্তিক ছুটি কাটানোর মনোরম পরিবেশ । পায়ে হেঁটেই দু কিমি দূরে ঘুরে আসা যায় ফ্রেজারগঞ্জ, মোহময়ী ফ্রেজারগঞ্জের সাগর বেলায় রয়েছে জেলে নৌকার আনাগোনা, ফিশিং হাৰবোৰ আর গঙ্গা মায়ের মন্দির ।

অগুনতি লালকাঁকড়ার বিচরণ, পাখিদের রকমফের, আর ম্যানগ্রোভ ঘেরা অরণ্য । দেখার স্বাদ মেটাতে হলে আস্তে হবে ১০ কিমি দূরে নীরব নির্জন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর ছোট্ট দ্বীপ জম্বুতে । নৌকায় করে জম্বু দ্বীপ সফর বেশ রোমাঞ্চকর ।

আবার নির্জনতার সন্ধানে চলে আস্তে পারেন সল্প পরিচিত উইকেন্ড স্পট হেনরি আইল্যান্ড । বকখালি থেকে দূরত্ব মাত্র ৩ কিমি ।

বকখালি বাস স্ট্যান্ডের সান্যিদ্ধে রয়েছে অরণ্য বিনোদন কেন্দ্র । নোন জলের কুমির, হরিণ, কচ্ছপ, হরেক প্রজাতির পাখি সম্ভার এককথায় চিড়িয়াখানা দেখার সাধ মেটায় ।

এছাড়াও রয়েছে বিশালাক্ষী মন্দির ও বন বিবির মন্দির ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *